শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
ভাঙ্গাভিটার পর এবার শোল্লার কালিগঙ্গা নদীর উত্তর পাড়ে দুর্গম অঞ্চলের ৫টি গ্রামের মানুষের সুখ দু:খের জীবনমান দেখতে সরেজমিনে ছুটে গেলেন ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক। তিনি পায়ে হেটেই এসব গ্রামের সাধারণ মানুষের সাথে সাক্ষাত করে তাকে বিজয়ী করার জন্য তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তিনি দত্তখন্ড, উত্তর বালখন্ড, দুধঘাটা, মহিশদিয়া, আটকাহনিয়া ও কুমিল্লি গ্রাম ঘুরেন।
এসময় সংসদ সদস্যের সাথে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম খন্দকার, রাসেল আহমেদ লেলিন, শোল্লার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন, বেএনপি নেতা হাজী আলমগীর হোসেন, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কেএম পবন মাহমুদ, মোক্তার হোসেন, রবিউল ইসলাম রবি প্রমুখ।
জনতার সাথে সাক্ষাত শেষে সাংসদ আবু আশফাক বলেন, নবাবগঞ্জের সবচেয়ে অবহেলিত অঞ্চল কালিগঙ্গা নদীর উত্তর পাড়ের এই ৫ গ্রামের বাসিন্দা। সারা বছরই তাঁদের উপজেলা সদরে যেতে নৌকা পাড় হতে হয়। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিটি গ্রামের উন্নয়নের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তার ধারাবাহিকতায় দোহার ও নবাবগঞ্জের প্রত্যন্ত এলাকায় রাস্তাঘাট ও নদীতে সেতু নির্মান হবে। তিনি বলেন, কালিগঙ্গার উত্তার পাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে এই নদীর উত্তর বালুখন্ড এলাকায় সেতু নির্মানে শীঘ্রই উদ্যোগ নেয়া হবে।
বিএনপির ঢাকা জেলা সভাপতি ও সাংসদ আশফাক বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। তাদের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। উপজেলা সদর থেকে দুর্গম এলাকার মানুষের নিরাপত্তায় নজর রাখা হবে। কেউ আপনাদের কোনো বিষয়ে অন্যায় ভাবে হয়রানি করতে চাইলে আমাকে জানাবেন। তিনি আরো বলেন, আমার এলাকায় হিন্দু খ্রিষ্টান মুসলিম বলে কোনো বিভক্তি নেই। আমরা সবাই মানুষ। যার যার ধর্ম মতে শান্তি শৃংখলা বজায় রেখে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগুতে চাই। তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে আমি দোহার নবাবগঞ্জবাসীকে দেয়া নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবো। এ ক্ষেত্রে আপনাদের সকলের সহযোগিতা আমার প্রয়োজন। আপনাদের ভোট নিয়ে আমি শহরে আরাম আয়েশ নয়, গ্রামে থেকেই সকলের সাথে সুখ দু:খ ভাগ করে চলতে চাই। আশা করি আপনরা আমাকে সেই সহযোগিতা করবেন।